ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশ: ৩ অগাস্ট, ২০২৬ ১৪:৩৬ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৫ বার
মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, সরকার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ পূর্ণাঙ্গভাবে কাজে লাগাতে এবং দেশের বিশাল যুবসমাজকে আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার সম্প্রসারণ অত্যন্ত জরুরি।
এ লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে।
সোমবার (২ আগস্ট) রাজধানীর মিরপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও ইউসেপ বাংলাদেশের উদ্যোগে 'সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণ' শীর্ষক প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী একথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এমন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষ সম্মানের সাথে জীবনযাপন করতে পারবে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী কারিগরি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ওপর বিশেষ জোর দিচ্ছেন।
এই লক্ষ্যে দক্ষতা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলা ও ইংরেজির বাইরেও তৃতীয় একটি ভাষা শেখা আবশ্যক। এভাবে গড়ে ওঠা দক্ষ জনশক্তিকে বিদেশে রপ্তানি করা গেলে, যেমন একদিকে তাঁদের পরিবারে সচ্ছলতা আসবে, অন্যদিকে জাতীয় রেমিট্যান্সের প্রবাহও বৃদ্ধি পাবে।
এ প্রেক্ষাপটে তিনি কেয়ার গিভিং খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।
এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা বিবেচনায় সমাজের পিছিয়ে পড়া বেকার যুবসমাজ, বিশেষত দরিদ্র যুব-যুবমহিলা, প্রতিবন্ধীতা সম্পন্ন ব্যক্তি, সুবিধাবঞ্চিত নৃ-জনগোষ্ঠী, প্রান্তিক জনগোষ্ঠী, হিজড়া জনগোষ্ঠী, মাদ্রাসা শিক্ষার্থী, উপকূলীয় এলাকার লোকজন, অসহায় জনগোষ্ঠী, ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী, সরকারি শিশু পরিবার, কিশোর-কিশোরী কেন্দ্র, সমাজসেবা অধিদপ্তরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সমন্বিত শিশু পরিবার কেন্দ্রের কিশোর কিশোরী এবং 'জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন'-এ অংশগ্রহণকারী যোদ্ধাদের জন্য শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে দরিদ্রতা দূর করা এবং তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে অবদান রাখা।
এ প্রকল্পের আওতায় মোট সাত হাজার ৫০০ জনকে ১৯ জেলায় ১৭টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দিয়ে শোভন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ, সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহ্বুব, ইউসেফ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আবদুল করিমসহ প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা, শিক্ষক এবং কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউসেফ বোর্ড অফ গভর্নরসের সদস্য ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ।