ধর্ম সংবাদ
শাওয়ালের ৬ রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত
আরবি হিজরি ক্যালেন্ডারে রমজানের পরের মাস শাওয়াল। এ মাসে মুমিন বান্দারা ফিতরা প্রদান, ঈদুল ফিতর পালন ও ৬ রোজা রাখার মধ্য দিয়ে পরকালীন উন্নতি সাধন, নেকির পাল্লা ভারী ও গৌরব অর্জন করে থাকেন। শাওয়ালের ৬ রোজা অনেক ফজিলতপূর্ণ আমল। এ রোজার ব্যাপারে অনেক উৎসাহমূলক বর্ণনা হাদিস শরিফে রয়েছে। রমজানের শাওয়ালের ৬ রোজার গুরুত্ব ও ফজিলত শাওয়ালের
জুমাতুল বিদায় মুসল্লির ঢল
ঢাকাসহ দেশের হাজারো মসজিদে পবিত্র রমজান মাসের শেষ শুক্রবারের জুমার নামাজ (জুমাতুল বিদা) আদায় করেছেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। এতে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ দোয়া-মোনাজাত করা হয়েছে। শুক্রবার (২০ মার্চ) রাজধানীসহ সারা দেশে গভীর ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে জুমা আদায় করেন মুসল্লিরা। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে
লাইলাতুল কদর আজ
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্য পরিবেশে সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে সারাদেশে পবিত্র লাইলাতুল কদর পালিত হবে। এ উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাদ মাগরিব বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে আলোচনা সভা ও দোয়া আয়োজন করা হয়েছে। সভায় পবিত্র কোরআন ও হাদিসের আলোকে লাইলাতুল কদরের ফজিলত, গুরুত্ব ও তাৎপর্য তুলে ধরে ওয়াজ করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের
রমজানের ২০ আমল
১. শাবান মাসের শেষ দিনে রমজানের চাঁদ দেখা: আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর নির্দেশ- তোমরা চাঁদ দেখে রোজা রাখবে, চাঁদ দেখে ঈদ করবে। -সহিহ বোখারি ও মুসলিম ২. দিনে রোজা রাখা: আল্লাহতায়ালা বলেন- তোমাদের মধ্যে যে ব্যক্তি রমজান মাসে উপনীত হবে, সে যেন রোজা রাখে। -সূরা আল বাকারা : ১৮৫ ৩. রাতে তারাবির নামাজ পড়া: আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেন, যে ব্যক্তি রমজান মাসে রাতে জেগে নামাজ
রমজান মাস কেন শ্রেষ্ঠ?
মুসলমানদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পুণ্যময় মাস রমজানুল মোবারক। বছর ঘুরে রমজান মাস মুমিনের জীবনে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের কারণ হয়ে আগমন করে। এটি শুধু সিয়াম সাধনার মাস নয়; বরং এটি আল্লাহর রহমত বর্ষণের, গুনাহ মাফের এবং জাহান্নাম থেকে মুক্তির বিশেষ সময়। এ মাসের ফজিলত ও মর্যাদা কোরআন ও সহিহ হাদিস দ্বারা সুস্পষ্টভাবে প্রমাণিত। রাসূলুল্লাহ
হালাল উপার্জন ছাড়া ইবাদত কবুল হয় না
হালাল রিজিক ভক্ষণ করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য আবশ্যক। মহান আল্লাহ তাঁর প্রিয় বান্দাদের হালাল রিজিক ভক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে রাসুলরা! তোমরা পবিত্র বস্তু ভক্ষণ করো এবং নেক কাজ করো।’ (সুরা : মুমিনুন, আয়াত : ৫১)। এই নির্দেশ শুধু নবী-রাসুলদের জন্য নয়, বরং সব ঈমানদারের জন্য এই নির্দেশ প্রযোজ্য। কারণ হালাল রিজিক
পবিত্র শবে বরাত আজ
মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত আজ। হিজরী বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। পবিত্র শবে বরাত মাহে রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়। গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রাপ্তির মহিমান্বিত এক রজনী পবিত্র শবে বরাত। এই রাতকে ভাগ্য নির্ধারণের রাতও বলা হয়। তদ্রূপ মুক্তির রজনী নামেও পরিচিত এই রাত। এই রাতে
জামাতেই নামাজ পড়া উচিত
জামাতে নামাজ পড়ার ব্যাপারে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছেন বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। এ বিষয়ে সহি বেশ কিছু হাদিস রয়েছে। মালিক ইবনে হুওয়াইরিস (রা.) বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল (সা.) বলেছেন, নামাজের সময় হলে (একাধিক লোক একসঙ্গে থাকলে) তোমাদের দু’জনের একজন আজান ও ইকামত দেবে। অতঃপর তোমাদের মধ্যে যে বয়সে অধিক বড়, সে ইমামতি করবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৫৮) ফজরের
জেনে নিন পাপ বর্জনের কিছু উপায়
মুমিন বান্দা পাপ থেকে মুক্ত থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু পাপের অনুকূল পরিবেশ, অসৎ সঙ্গের প্রভাব ও শয়তানের সার্বক্ষণিক প্ররোচনায় পাপমুক্ত থাকা সম্ভব হয় না। যদি কোরআন-সুন্নাহর আলোকে কিছু উপায় অবলম্বন করা যায়, তাহলে অধিক পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে বাঁচা যেতে পারে। তাহলে আসুন জানি, পাপ বর্জনের কয়েকটি উপায়। পাপকে ছোট বা তুচ্ছ জ্ঞান না করা পাপ যেমনই
পবিত্র শবে বরাত ৩ ফেব্রুয়ারি
দেশের আকাশে হিজরি শাবান মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিনগত রাতে সারাদেশে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন। সভায় জানানো হয়, বাংলাদেশের
যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব
যাকাতের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে ‘যাকাত কনফারেন্স ২০২৬’- এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান মাস্তুল ফাউন্ডেশন এ কনফারেন্সের আয়োজন করে। ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশে যারা
শবে মেরাজের গুরুত্ব
রসুল (সা.)-এর গৌরবদীপ্ত জীবনে মেরাজের ঘটনাটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। তাঁর ৫২ বছর বয়সে এই গৌরবময় ঘটনাটি নবুয়তের ১২তম বর্ষে ২৭ রজব রাত্রিতে (২৬ তারিখ দিবাগত রাত) সংঘটিত হয়। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে রসুল (সা.) মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ করেন। এই মহিমান্বিত সাক্ষাতের ঘটনাটি প্রতি বছর বিশ্বের সব মুসলমান গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করে লাইলাতুল মেরাজ
