ঢাকা, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

সুনামগঞ্জে সুরমা নদীতে সেতু হচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১৫ জুন, ২০২৬ ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন | দেখা হয়েছে ১৮ বার


সুনামগঞ্জে সুরমা নদীতে সেতু হচ্ছে

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বাস্তবায়নাধীন ‘হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জে সুরমা নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ২৬৪ কোটি টাকা।

 

সেতুটি নির্মাণের জন্য দরপত্র মূল্যায়ন প্রক্রিয়া শেষে চূড়ান্ত সুপারিশ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির পরবর্তী সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানা গেছে।

 

সরকার সুনামগঞ্জ জেলার হাওর এলাকার উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে। এর মধ্যে–
ক) হাওর সহিষ্ণু অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে হাওর অঞ্চলে যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজীকরণ।


খ) হাওর এলাকার সার্বিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনে এবং উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাতকরণে সহযোগিতা প্রদান।
গ) হাওর অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে ৯৫.২৩ কিলোমিটার অল সিজন সড়ক, ৩১.০৫ কিলোমিটার সাবমারসিবল সড়ক, হাওরের মধ্য দিয়ে ১৩.৪৬ কিলোমিটার এলিভেটেড সড়ক উন্নয়ন, বিভিন্ন সড়কে ৬৭১২.৬৩ মিটার ব্রিজ/কালভার্ট নির্মাণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

এই ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র্য দূরীকরণে সহায়তা করা হবে।

‘হাওর এলাকায় উড়াল সড়ক ও ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন’ প্রকল্পের মোট ব্যয় ৩,৪৫২ কোটি টাকা। সম্পূর্ণ সরকারের অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এরই অংশ হিসেবে জামালগঞ্জে সুরমা নদীর উপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২০২১ সালের ২৩ নভেম্বর অনুমোদিত হয়।
স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ২০২৫ সালের ২৯ মে প্রকল্পের ১ম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবের (ডিপিপি) প্রশাসনিক অনুমোদন দেওয়া হয়।

জানা যায়, প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হলে মোট চারটি প্রতিষ্ঠান দরপত্র সংগ্রহ করে। তবে দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে মোট তিনটি দরপত্র জমা পড়ে। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি মূল্যায়নে দুটি দরপত্র টেকনিক্যালি নন-রেসপন্সিভ হয়। রেসপন্সিভ প্রতিষ্ঠানটি হচ্ছে যৌথভাবে এইচআইসিসি-ইউসিসি, ঢাকা। টেকনিক্যালি নন-রেসপন্সিভ হওয়া দুটি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে– এম.এম. বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ও ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড।

গত ৯ এপ্রিল ই-জিপিতে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটি আর্থিক দর প্রস্তাব মূল্যায়ন করে এবং রেসপন্সিভ দরদাতার আর্থিক দর প্রস্তাব ২৬৪ কোটি টাকা উল্লেখ করে।

দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির চূড়ান্ত মূল্যায়ন শেষে একমাত্র রেসপন্সিভ দরদাতা এইচআইসিসি-ইউসিসির অনুকূলে সুপারিশ করা হয়। দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির সব সদস্য পৃথক ঘোষণা দেন। এছাড়া দরদাতা প্রতিষ্ঠান এইচআইসিসি-ইউসিসির দাখিল করা সনদগুলো সঠিক পাওয়া যায় বলে সূত্র জানিয়েছে।


   আরও সংবাদ