ঢাকা, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬,
সরকার অনুমোদিত নিবন্ধন নম্বর ১৯১
Reg:C-125478/2015

নীতি সুদহার হ্রাসে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আশা

ডেস্ক রিপোর্ট


প্রকাশ: ১ অগাস্ট, ২০২৬ ১৫:৩৭ অপরাহ্ন | দেখা হয়েছে ৭ বার


নীতি সুদহার হ্রাসে বিনিয়োগ বৃদ্ধির আশা

উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘদিন ধরে কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করেও স্বস্তির খবর আসেনি। উল্টো উচ্চ সুদহার, ডলারের অস্থিরতা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশে বিনিয়োগের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

এমন পরিস্থিতিতে মুদ্রানীতির কঠোর অবস্থান কিছুটা শিথিল করার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রেপো রেট বা নীতি সুদহার ১০ শতাংশ থেকে ৫০ বেসিস পয়েন্ট কমিয়ে ৯ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

রেপো রেট পুনর্নির্ধারণের এ সিদ্ধান্তে ব্যাংকঋণের সুদহার কমে আসতে পারে বলে আশা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের অনেকে এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

তবে মূল্যস্ফীতি এখনো ৯ শতাংশের ওপরে থাকায় নীতি সুদহার কমানোর ফলে মূল্যস্ফীতির ওপর কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়ে অর্থনীতিবিদরা সতর্ক করেছেন।

 

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, শেষ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে না এলে মানুষের প্রকৃত আয় কমে যাবে।

এতে ভোগব্যয়, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান—সবকিছুই চাপে পড়তে পারে। আবার উচ্চ সুদহারের কারণে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে যে স্থবিরতা তৈরি হয়েছে, সেটিও দীর্ঘায়িত করা অর্থনীতির জন্য ভালো হবে না। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও বিনিয়োগ বাড়ানোর মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

 

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মনিটারি পলিসি কমিটির (এমপিসি) ১৩তম সভায় অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চলকসমূহের গতিপ্রকৃতি পর্যালোচনায় মুদ্রানীতির মূল হাতিয়ার হিসেবে বিবেচিত নীতি সুদহার (রেপো রেট) বিদ্যমান ১০.০০ শতাংশ হতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট হ্রাস করে ৯.৫০ শতাংশে এবং সুদহার করিডোরের ঊর্ধ্বসীমা হিসেবে বিবেচিত স্ট্যান্ডিং লেন্ডিং ফ্যাসিলিটি (এসএলএফ) রেট বিদ্যমান ১১.৫০ শতাংশ হতে ৫০ বেসিস পয়েন্ট হ্রাস করে ১১.০০ শতাংশে পুনঃনির্ধারণ করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। আগামী রোববার থেকে নতুন নীতি সুদহার কার্যকর হবে।

গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি, দেশি বিনিয়োগ, বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহ, কর্মসংস্থান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে নীতি সুদহার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বেসরকারি খাতে ঋণের সুদের হার কমলে ঋণের প্রবাহ বাড়তে পারে। এতে অর্থের সরবরাহ বাড়লে নতুন করে মূল্যস্ফীতিও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণের সুদ কমানো প্রয়োজন। একইসঙ্গে নতুন বিনিয়োগ বা ব্যবসা সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে সুদহারই একমাত্র বিবেচ্য বিষয় নয়। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও স্থিতিশীলতা, করনীতি, ঘুষ-দুর্নীতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিস্থিতিও বিনিয়োগের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য ঘোষণা করা হয়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগবান্ধব নীতির অংশ হিসেবে সুদহার কমানোর বিষয়টিও আলোচনায় ছিল।

গভর্নর হিসেবে যোগ দেওয়ার পর মো. মোস্তাকুর রহমান নীতি সুদহার কমানোর উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর সে উদ্যোগ থেকে সরে আসে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরপর গত ৩০ জুন চলতি অর্থবছরের প্রথমার্ধের জন্য সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংক যে সুদহারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে স্বল্প সময়ের জন্য ঋণ দেয়, সেটিই নীতি সুদহার। ইংরেজিতে একে রেপো রেট বলা হয়। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে এটি মুদ্রানীতির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার।

ভালো ও ইতিবাচক উদ্যোগ
বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদহার দশমিক ৫ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্তকে ভালো ও ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) সাবেক সভাপতি ফজলুল হক। দীর্ঘদিনের কঠোর মুদ্রানীতি থেকে সরে আসার এ পদক্ষেপকে ব্যবসায়ী ও অর্থনীতিবিদদের জন্য আশাব্যঞ্জক সূচনা বলে মনে করছেন তিনি।

তিনি বাংলানিউজকে বলেন, নীতি সুদহার কমানোর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক মূলত একটি ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে। তবে এ সিদ্ধান্তের সুবিধা শেষ পর্যন্ত ব্যবসায়ী বা গ্রাহক পর্যায়ে কতটা পৌঁছাবে, তা দেখার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

তিনি বলেন, নীতি সুদহার কমানো একটি ভালো উদ্যোগ। তবে মনে রাখতে হবে, নীতি সুদহার সরাসরি গ্রাহকদের জন্য নয়; এটি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর জন্য। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো যখন অর্থ ঋণ নেয় বা সুবিধা পায়, সেখানে এটি কার্যকর হয়। তাই এখন ব্যাংকগুলো এই ০.৫ শতাংশের প্রভাব কীভাবে গ্রহণ করে এবং পরবর্তীতে গ্রাহক বা বিনিয়োগ পর্যায়ে কী প্রভাব ফেলে, সেটাই দেখার বিষয়।

দীর্ঘদিন ধরে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ ব্যাংক কঠোর মুদ্রানীতি অনুসরণ করে আসছে। এ প্রসঙ্গে ফজলুল হক বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক মূলত একটি দ্বিমুখী সংকটের মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, একদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বাজারে মুদ্রার সরবরাহ কম রাখা প্রয়োজন, যাতে জিনিসপত্রের দাম কিছুটা কম থাকে। এই কারণেই মুদ্রানীতি কঠোর রাখা হয়েছিল। কিন্তু অন্যদিকে, চড়া সুদের হারের কারণে দেশের নতুন বিনিয়োগ ও ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। আমার মনে হয়, মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগের মধ্যে একটি সুন্দর ভারসাম্য তৈরি করতেই বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার কমানোর এই উদ্যোগের সূচনা করেছে।

ব্যবসা খাতের এ প্রবীণ নেতা আশা প্রকাশ করে বলেন, যেহেতু একটি ভালো সূচনা হয়েছে, তাই পরিস্থিতি বিবেচনায় হয়তো সামনের দিনগুলোতে নীতি সুদহার আরও কমানো হতে পারে, যা দেশের বিনিয়োগ ও ব্যবসাকে আরও গতিশীল করবে।

কমতে পারে ঋণের সুদ
ব্যাংকাররা বলছেন, এমনিতেই ঋণের সুদহার কিছুটা কমে আসছিল। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার কমানোর ফলে তা আরও কমতে পারে। সামষ্টিক অর্থনীতির স্বার্থেই নীতি সুদহার কমানো হয়েছে। এর ফলে আমানতের সুদও কমবে। কোনো ব্যাংকের ক্ষেত্রে ঋণের সুদহার দশমিক ৫ শতাংশ, আবার কোনো ব্যাংকের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ পর্যন্ত কমতে পারে।

বিনিয়োগ কতটা বাড়বে
উচ্চ সুদহার, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট, ডলারের অস্থিরতা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগে শ্লথগতি রয়েছে। এতে নতুন কর্মসংস্থানও হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নীতি সুদহার কমানোয় বিনিয়োগকারীদের কাছে ইতিবাচক বার্তা যাবে বলে মনে করছেন একাধিক উদ্যোক্তা।

উদ্যোক্তারা বলছেন, ব্যাংকঋণের সুদের হার ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে উঠে গেছে। এত উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় মুনাফা করা কঠিন। এ ছাড়া নতুন বিনিয়োগ শুধু ব্যাংকঋণের সুদহারের ওপর নির্ভর করে না; গ্যাস-বিদ্যুতের প্রাপ্যতা, রাজনৈতিক ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন বিষয়ও এর সঙ্গে জড়িত। তবে ব্যবসা সহজ করার অন্যান্য পদক্ষেপের সঙ্গে ব্যাংকঋণের সুদ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগ কাজে দেবে।

উচ্চ সুদের কারণে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, গত মে মাসে বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি ছিল ৪ দশমিক ৯৮ শতাংশ, যা গত দুই দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন।

নতুন বিনিয়োগেও আশাব্যঞ্জক তথ্য নেই। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১ দশমিক ৮৮ বিলিয়ন ডলারের মূলধনি যন্ত্রপাতি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলা হয়েছে, যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের তুলনায় মাত্র ২ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেশি।

এদিকে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) কমে গেছে। জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ৪৪ কোটি ৭৩ লাখ ডলারের এফডিআই এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৪ শতাংশ কম।

মূল্যস্ফীতি শুধু সুদের হারের ওপর নির্ভর করে না
উচ্চ সুদের হারকে দেশের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের অন্যতম প্রধান প্রতিবন্ধক হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সুদহার কমানোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক ড. মোহাম্মদ ইউনুস। তিনি বাংলানিউজকে বলেন, শুধু মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের অজুহাতে দীর্ঘদিন উচ্চ সুদহার ধরে রাখা অর্থনীতির জন্য ফলদায়ক নয়।

ড. ইউনুস বলেন, বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতি কেবল সুদের হারের ওপর নির্ভর করে না। কিন্তু বিনিয়োগের জন্য উচ্চ সুদহার ক্ষতিকর। উৎপাদন পর্যায়ে কৃষক যে দামে পণ্য বিক্রি করেন, ঢাকায় এসে তা দ্বিগুণ বা তারও বেশি হয়ে যায়। এখানে মুদ্রানীতি কঠোর করার কার্যকারিতা দেখা যায় না। উন্নত দেশের তাত্ত্বিক ‘ফিশারিয়ান ইকুয়েশন’—সুদের হারের সঙ্গে মূল্যস্তরের সম্পর্ক—বাংলাদেশের অর্থনীতির বাস্তবতায় পুরোপুরি খাটে না।

উচ্চ সুদের হারের কারণে বিনিয়োগে নেতিবাচক প্রভাব তুলে ধরে তিনি বলেন, বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি স্মরণকালের সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সরকারি খাতে সীমিত চাকরির বিপরীতে দেশের বিশাল জনগোষ্ঠী বেসরকারি খাতেই কর্মসংস্থানের সুযোগ পায়। তাই কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বিনিয়োগে স্থবিরতা কাটাতে ব্যবসায়ীদের কিছুটা সাশ্রয় বা ছাড় দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছিল। সঞ্চয়কারীদের কিছুটা ক্ষতি হলেও সামগ্রিক দেশের স্বার্থে নীতি সুদহার কমানো অত্যন্ত সময়োপযোগী ও ভালো পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, আমরা তো চার-পাঁচ বছর ধরে এমনিতেই উচ্চ মূল্যস্ফীতির ভেতরে আছি—একপ্রকার গলা পর্যন্ত ডুবে আছি। সে ক্ষেত্রে সুদের হার একটু কমলে মূল্যস্ফীতি যদি সামান্য বাড়েও, তবুও তো বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়াতে এই চেষ্টা করে দেখা উচিত।

তবে ব্যবসায়ীদের প্রধান সমস্যা শুধু সুদের হার নয় উল্লেখ করে ড. ইউনুস বলেন, বৈঠক বা আলোচনায় ব্যবসায়ীরা প্রধানত তিনটি বিষয়ে সুরাহা চান—জ্বালানি বা গ্যাসের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ, আমলাতান্ত্রিক হয়রানি বন্ধ এবং বন্দরে পণ্যজট নিরসন।

মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হিসেবে কঠোর মুদ্রানীতি না চাপিয়ে চাঁদাবাজি ও অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ওপর জোর দিয়ে তিনি বরেন, কেন ৪০ টাকার ঝিঙা ঢাকা শহরে এসে ১০০ টাকা হবে? এক কেজি ঝিঙা পরিবহনে কি ৪৫ টাকা খরচ হয়?

ড. ইউনুস বলেন, দু-একজন অসাধু বা খারাপ ব্যবসায়ীর জন্য বাকি ৯৯ জন ভালো ও প্রকৃত বিনিয়োগকারীকে শাস্তির মুখে ফেলা অনুচিত। খারাপদের বিরুদ্ধে আলাদা ব্যবস্থা নিয়ে দেশের সার্বিক বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরিয়ে আনাই এখন মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, সেই জায়গা থেকে সুদহার কমানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেটা ভালো। তবে এটিকে আরও কার্যকর করতে হবে।


   আরও সংবাদ